Diary of a Whore

Page 1

Continue reading “Diary of a Whore”

Advertisements

একটি হিন্দুরাষ্ট্রের উপকথা

এক দিনের পথ কিন্তু রাস্তা নেই। জলে ডুবে গেছে। সাঁকো হবে কথা ছিল কিন্তু ভিত তৈরি করতে মাটির প্রয়োজন। লোহার রেলট্র্যাক ভরা জোয়ারে গলে ভুত হয়ে গেছে কবে। ফেলে আসা সব ঘরে এখন বিধর্মীর বাস। ধার্মিকদের এই দিনে সব মনে পড়তে থাকে। শেষ রাতে বাস্তুসাপ ফণা তুলে অভিশাপ দিয়েছিল কেবল। হিন্দু মায়ের মন শ্বশুরের ভিটে ছেড়ে যেতে চায় না। কিন্তু না গেলে যে হার্মাদের ভয়। ফিতে দিয়ে মাপা সম্পত্তি এখন বাটখারায় মাপা যায়। দেশ আজ আচারের বোতলে সংরক্ষিত এক মুঠো মাটি শুধু। Continue reading “একটি হিন্দুরাষ্ট্রের উপকথা”

রাজবন্দী

কাল্পনিক কথোপকথন

ক – শুনেছ ও দেশে কি হয়েছে?
প – কোন দেশে?
ক – আরে ওই দেশে।
প – ওহ আচ্ছা, ওই দেশে? তাই বল। কিন্তু ওখানে আবার কি হল?
ক – কেন তুমি শুনতে পাওনি?
প – আরে বলবে তো কি হয়েছে? তখন থেকে গৌরচন্দ্রিকা করে চলেছ।
ক – ছেলেটিকে ধরে নিয়ে গেছে তো।
প – কোন ছেলেটিকে? ওদেশে তো অনেক ছেলেকেই ধরে নিয়ে যায়। Continue reading “রাজবন্দী”

একমাত্র চেনা গন্ধ

ভরদুপুরে মরুভূমির তপ্ত রোদে চোখে পড়ল এক মরীচিকা। দূর থেকে মনে হয় বেশ মনোরম এক উদ্যান। ওদিকে তেষ্টায় গলা শুকিয়ে গেছে না জানি কতক্ষন। আশার আলোয় চোখে ঝিলমিল লেগে যায়। তাপে পোড়া, ক্লান্তিতে কুঁকড়ে যাওয়া শরীর, যা অনেক আগেই জবাব দিয়ে দিয়েছিল, এবারে নড়েচড়ে ওঠে। খানিক আগে অব্দিও সবকিছু কেমন ফ্যাকাসে ছিল। সামনের মরুদ্যানটি পৃথিবীতে রঙ ফেরাল যেন। ঠিক সিনেমার মতো। এক পলকের বিরামে হলদেটে, ফিকে হয়ে যাওয়া প্রকৃতির ওপর স্নিগ্ধ এক সবুজ পরত পরে গেল। এবারে সব কিছুই সবুজ। আকাশ সবুজ, সামনের উদ্যানের গাছগুলো সবুজ, ইট দিয়ে বাধাই করা ছোট্ট পুকুরটি সবুজ আর তার পাশে বিশ্রাম নেবার বেঞ্চি দুটিও সবুজ। এত সবুজে কেমন গা গুলোতে থাকে। যতই এগোন যায় এই সবুজ যেন আরও গাঢ় হয়। ভয় হয়, প্রকৃতির রঙ যদি প্রকৃতিরই নিয়ম মেনে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। কেমন মনে হয়, যদি জলের রঙও সবুজ হয়ে যায়। সবুজ তরল তো বিষেরই সমান। দূর থেকে দেখা এই উদ্যানটি যত কাছে আসতে থাকে ততই প্রাণনাশের আশঙ্কায় এক জাগতিক ভীতির উদ্রেক হয়। Continue reading “একমাত্র চেনা গন্ধ”

হাসপাতাল ডায়েরি ১

অসহ্য পেটে ব্যথা নিয়ে ঘুম ভাঙল নীরজার। প্রচণ্ড ব্যাথা। বুঝতে পারছে যে বিছানায় সে আর লম্বালম্বি হয়ে শুয়ে নেই। কুঁকড়ে গেছে শরীরটা। তলপেটের নিচের দিকে একটা ভারী চাপ। ভীষণ চাপ। থেকে থেকেই দপদপিয়ে উঠছে। এ যন্ত্রণা সহ্য করবার মত নয়। কি করবে সে? বাড়িতে, নিজের বিছানায় শুয়ে এই ব্যাথার মোকাবিলা করবে কি করে? পাশ ফিরে অসীমকে ডাকতে যাবে কিন্তু দেখে সেখানে কেউ নেই। ঘরের নিভু নিভু আলোতে ভালো করে দেখে নেয় নীরজা। নাহ, নেই তো। কি অদ্ভুত লোক রে বাবা! সে জানে নীরজার শরীর ভালো নেই আজ প্রায় মাস তিনেক হল, তার ওপর থেকে থেকে রাতে বোবায় ধরে। পই পই করে বলে দিয়েছিলো রাতে খুব বেশিক্ষণের জন্য বাইরে না যেতে। বোবায় ধরলে পাশে কেউ না থাকলে বেশ অসুবিধে হয় জ্ঞান ফিরতে। এদিকে পেটে ব্যাথা তার ওপরে অসীমের অনুপস্থিতি এই দুইয়ে বেশ বিরক্ত হয়ে সে ভাবে জোরে নাম ধরে ডাকবে। কিন্তু খানিক পরেই লক্ষ করে অসীম যেন পাশেই বসে আছে। Continue reading “হাসপাতাল ডায়েরি ১”

আদিরার গল্প

দাস বাড়ির একমাত্র মেয়ে আদিরা। দেখতে যেমন মিষ্টি তেমনি তার স্বভাব। আসলে দেখতে মিষ্টি কথাটার কি অর্থ সেটা আমার জানা নেই। তোমরা হয়ত বলবে যে মিষ্টি মানে রসগোল্লা, আর তাই আদিরাকে দেখলে নিশ্চই রসগোল্লার কথা মনে হয়। ওদিকে আমি বলব হ্যাঁ আবার না। অর্থাৎ আদিরাকে দেখে রসগোল্লার কথা মনে এলেও সে আকারে একেবারেই গোল নয়। বরং এটা বলতে পারি যে, যদি তোমাদের রসগোল্লা নামক খাবারটি বিশেষ ভালো লাগে তাহলে ওটি খাবার পর মনে যেমন একটা পরিতৃপ্ত ভাব আসে ওর সাথে কথা বললেও ঠিক এমনটিই মনে হয়। ঠিক যেমন বড়মামা একতাল খাবার খেয়ে, পেটে হাত বুলিয়ে, ঢেকুর তুলে টুপ করে দিদার বানানো পানটি মুখে পুড়ে আরাম করে বলে, ‘আহ!!!’, ঠিক তেমনি। Continue reading “আদিরার গল্প”

‘অপার্থিব’

এই গ্রাফিক আর্টটি অনিন্দ্য সেনগুপ্তর লেখা কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস ‘অপার্থিব’-র পাঁচটি মুখ্য চরিত্র – দারিয়াস মজুমদার, সোহরাব ঘানি, ইলানা ঈৎজাক, ইকিরা কিরোভা এবং রোজবাড – কে কেন্দ্র করে তৈরি। এ মাসের শেষেই বইটি বেরোচ্ছে। ততদিন আর্টওয়ার্ক চলুক।

বইটি প্রকাশ করছে বৈভাষিক প্রকাশনী।

পোস্টে ব্যবহৃত কিছু ইমেজের লিংক – প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় চতুর্থ

Darius Majumder copy Continue reading “‘অপার্থিব’”